দরুদ: নবীজি ﷺ-এর উপর দরুদ পাঠ

নবীজি ﷺ-এর উপর কীভাবে দরুদ পড়তে হয়, এবং তার সওয়াব।

১ একবার

اللَّهُمَّ صَلِّ عَلَى مُحَمَّدٍ وَعَلَى آلِ مُحَمَّدٍ، كَمَا صَلَّيْتَ عَلَى آلِ إِبْرَاهِيمَ، إِنَّكَ حَمِيدٌ مَجِيدٌ، اللَّهُمَّ بَارِكْ عَلَى مُحَمَّدٍ وَعَلَى آلِ مُحَمَّدٍ، كَمَا بَارَكْتَ عَلَى آلِ إِبْرَاهِيمَ، إِنَّكَ حَمِيدٌ مَجِيدٌ

অর্থ ও সূত্র

আব্দুর রহমান বিন আবূ লাইলা বলেন, কা’ব বিন ‘উজরাহ আমার সাথে সাক্ষাত করে বলল, আমি কি তোমাকে হাদিয়া দেবো না? নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আমাদের নিকট আসলে আমরা বললাম, হে আল্লাহর রাসূল! আমরা কীভাবে আপনাকে সালাম দেব তা জানলাম। তবে কীভাবে আপনার উপর সালাত (দরূদ) পেশ করবো? তিনি বললেন, তোমরা বলো:اللَّهُمَّ صَلِّ عَلَى مُحَمَّدٍ وَعَلَى آلِ مُحَمَّدٍ، كَمَا صَلَّيْتَ عَلَى آلِ إِبْرَاهِيمَ، إِنَّكَ حَمِيدٌ مَجِيدٌ، اللَّهُمَّ بَارِكْ عَلَى مُحَمَّدٍ وَعَلَى آلِ مُحَمَّدٍ، كَمَا بَارَكْتَ عَلَى آلِ إِبْرَاهِيمَ، إِنَّكَ حَمِيدٌ مَجِيدٌ».

অর্থ“হে আল্লাহ! তুমি মুহাম্মাদের উপর এবং মুহাম্মাদের পরিবার-পরিজনের উপর রহমত বর্ষন করো। যেমন তুমি রহমত বর্ষন করেছো ইবরাহীমের উপর। নিশ্চয় তুমি প্রশংসিত ও মহিমান্বিত। হে আল্লাহ! তুমি বরকত নাযিল করো মুহাম্মাদের উপর এবং মুহাম্মাদের পরিবার পরিজনের উপর যেমন বরকত নাযিল করেছো ইবরাহীমের উপর। নিশ্চয় তুমি প্রশংসিত ও মহিমান্বিত।”

সহীহ বুখারী ও মুসলিম মান: সহীহ

ব্যাখ্যা

সাহাবীগণ নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের কাছে জিজ্ঞেস করলেন, তার উপরে কীভাবে সালাত(দরূদ) পেশ করবে? যেহেতু তারা ইতোপূর্বে নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লামের প্রতি সালাম দেওয়ার পদ্ধতি ‘আত্তাহিয়্যাতু’তে জেনেছেন এভাবে যে, ‘আসসালামু আলাইকা আইয়ুহান নাবিয়্যু ওয়ারাহমাতুল্লাহি ওয়াবারাকাতুহ’ অর্থ: হে নবী ! আপনার উপর (আল্লাহর পক্ষ থেকে) সবধরনের নিরাপত্তা , রহমত ও বরকত বর্ষিত হোক। নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাদেরকে তাঁর প্রতি সালাত (দরূদ)পেশ করার পদ্ধতি সম্পর্কে অবহিত করালেন। এর অর্থ হলো: «اللَّهُمَّ صَلِّ عَلَى مُحَمَّدٍ وَعَلَى آلِ مُحَمَّدٍ».

“হে আল্লাহ! আপনি মুহাম্মাদ ও মুহাম্মাদের বংশধরের উপর সালাত বর্ষণ করুন।” অর্থাৎ আপনি উচ্চমর‌্যদা সম্পন্ন ফেরাশ্তাদের সামনে প্রশংসা সহ উত্তমভাবে তাঁকে তার পর তাঁর দ্বীনের অনুসারীদেরকে ও তাঁর মুমিন আত্মীয়-স্বজনদেরকে স্মরণ করুন। "كما صلَّيتَ على آل إبراهيم"

“যেরূপ আপনি ইবরাহীমের বংশের ওপর সালাত বর্ষণ করেছেন।” যেমনিভাবে আপনি ইবরাহীমের বংশধর, তারা হলেন ইরবাহীম, ইসমাঈল, ইসহাক ও তাদের বংশধর এবং তাদের মুমিন অনুসারীদেরকে অনুগ্রহ দান করেছেন, সেভাবে আপনি মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লামের ওপরও আপনার অনুগ্রহ দান করুন। "إنك حميد مجيد"

“নিশ্চয় আপনি প্রশংসিত সম্মানিত।” অর্থাৎ আপনি আপনার স্বীয় সত্তায়, গুণাবলীতে এ কর্মে প্রশংসিত। আপনি আপনার সম্মান, ক্ষমতা ও অনুগ্রহে মহান, সুপ্রশস্ত। «اللَّهُمَّ بَارِكْ عَلَى مُحَمَّدٍ وَعَلَى آلِ مُحَمَّدٍ، كَمَا بَارَكْتَ عَلَى آلِ إِبْرَاهِيمَ».

“হে আল্লাহ! আপনি মুহাম্মাদ ও মুহাম্মাদের বংশধরের উপর তেমনি বরকত দান করুন যেমনি বরকত দান করেছেন ইবরাহীমের উপর।” অর্থাৎ তাকে অধিক কল্যাণ ও সম্মান-মর্যাদা দান করুন, তা বৃদ্ধি করুন এবং তা স্থায়ী করুন।

উপকারিতা

  • সৎপূর্বসূরীরা ইলমী মাসায়েল পরস্পরকে হাদিয়া দিতো।
  • শেষ বৈঠকে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের উপর দরুদ পাঠ করা ওয়াজিব।
  • নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাঁর সাহাবীগণকে সালাম ও সালাত(দরূদ) শিক্ষা দিয়েছেন।
  • এগুলো নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের উপর দরূদ পেশ করার সর্বোত্তম ও পরিপূর্ণ অর্থজ্ঞাপক শব্দাবলী।

HadeethEnc.com-এ পড়ুন

২ একবার

অর্থ ও সূত্র

আব্দুর রহমান ইবন ‘আউফ রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, “রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম বের হয়ে তাঁর সদকার বাগানের দিকে গেলেন এবং সেখানে প্রবেশ করে কিবলামুখী হয়ে সিজদা করলেন।সিজদা এতো দীর্ঘ করলেন যে, আমি ভাবলাম মহান আল্লাহ হয়ত তার রূহ কবয করে নিয়েছেন। অতঃপর আমি তাঁর কাছে গিয়ে বসলাম। তিনি মাথা উঠিয়ে বললেন, তুমি কে? আমি বললাম, আমি আব্দুর রহমান। তিনি বললেন, কী ব্যাপার? আমি বললাম, হে আল্লাহর রাসূল! আপনি এতো দীর্ঘ সিজদা দিয়েছেন যে, আমি ভাবলাম মহান আল্লাহ হয়ত আপনার রূহ কবয করে নিয়েছেন।তিনি বললেন, জিবরীল আলাইহিস সালাম আমার কাছে এসে সুসংবাদ দিয়েছেন, মহান আল্লাহ বলেছেন যে, যে ব্যক্তি আপনার প্রতি দরুদ পাঠ করবে আমি (আল্লাহ) তার প্রতি দরুদ (রহমত বর্ষণ) পাঠ করব। আর যে ব্যক্তি আপনার প্রতি সালাম পেশ করবে আমি (আল্লাহ) তার প্রতি সালাম (শান্তি ও নিরাপত্তা) পেশ করব। ফলে আমি মহান আল্লাহর শুকরিয়া জ্ঞাপন করে সিজদা দিয়েছিলাম।”

এটি আহমাদ বর্ণনা করেছেন। মান: হাসান

ব্যাখ্যা

উপরোক্ত হাদীস শরীফে নতুন নতুন নি‘আমত প্রাপ্তি, আনন্দদায়ক ও সুসংবাদ শ্রবণে শুকরিয়া জ্ঞাপন সিজদার প্রচলন বর্ণিত হয়েছে। যেমন, নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লামের সাথে যা ঘটেছিল, তিনি সালাতরত অবস্থায় ছিলেন, এমনসময় জিবরীল আলাইহিস সালাম তাঁর কাছে এসে সুসংবাদ দিয়েছেন যে, তাঁর উম্মতের মধ্যে যে ব্যক্তি তাঁর প্রতি দরুদ পাঠ করবে এবং যে ব্যক্তি তাঁর প্রতি সালাম পেশ করবে আল্লাহ তার প্রতি রহমত ও শান্তি বর্ষণ করবেন। সাধারণত শুকরিয়ার সিজদা দীর্ঘ করা সুন্নাত; কারণ নবী এতো দীর্ঘ সিজদা করেছেন যে সাহাবীগণ ভেবেছিলেন তিনি মারা গেছেন।

HadeethEnc.com-এ পড়ুন

৩ একবার

অর্থ ও সূত্র

হুসাইন ইবনু আলী ইবনু আবী তলিব রাদিয়াল্লাহু আনহুমা হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: প্রকৃত কৃপণ সেই ব্যক্তি, যার কাছে আমি উল্লিখিত হলাম [আমার নাম উচ্চারিত হল], অথচ সে আমার প্রতি দরূদ পাঠ করল না”।

সুনানে তিরমিযী, নাসায়ীর সুনানুল কুবরা এবং মুসনাদে আহমদ মান: সহীহ

ব্যাখ্যা

নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাঁর নাম, উপনাম বা গুণ শোনার সময় যে তাঁর ওপর সালাত অর্থাৎ দরূদ পড়া ত্যাগ করল তাকে তিনি সতর্ক করেছেন এবং বলেছেন: পরিপূর্ণ কৃপণ ব্যক্তি হল যার কাছে আমি উল্লিখিত হলাম, কিন্তু সে আমার ওপর সালাত-দরূদ পাঠ করল না: এটি কয়েকটি কারণে:

প্রথম: এটি এমন একটি বিষয় নিয়ে কৃপণতা করা, যার কারণে সে অল্প বা বেশি কিছু হারায় না এবং কোন অর্থ বা প্রচেষ্টা ব্যয় করে না।

দ্বিতীয়: সে নিজের সাথে কৃপণতা করল এবং নিজেকে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লামের ওপর সালাত পাঠ করার সওয়াব থেকে বঞ্চিত করল। কেননা তার জন্য সালাত পাঠ করা থেকে বিরত থাকার মাধ্যমে সে কৃপণতা করেছে এবং এমন একটি হক আদায় করা থেকে বিরত রয়েছে যা তাকে অবশ্যই আদেশ পালন করা এবং এর মাধ্যমে সওয়াব হাসিল করার জন্য জরুরি ছিল।

তৃতীয়: নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লামের জন্য সালাত পাঠ করার ভেতর তাঁর কিছু অধিকার পূরণ জড়িত। কারণ তিনিই আমাদের শিক্ষা দিয়েছেন; আমাদের পথপ্রদর্শন করেছেন, আমাদেরকে আল্লাহ তা‘আলার দিকে আহ্বান করেছেন এবং আমাদের জন্য এই ওহী এবং এই শরীয়ত নিয়ে এসেছেন। কাজেই তিনি আমাদের পথনির্দেশের কারণ- আল্লাহ তা‘আলার পরে- যে তা‍ঁর ওপর সালাত পাঠ করল না সে নিজের সাথে কৃপণতা করল এবং নিজের নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লামের ওপর তাঁর একটি হক নিয়ে কৃপণতা করল। এটি তাঁর সবচেয়ে ছোট হক।

উপকারিতা

  • নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লামের ওপর সালাত ত্যাগ করা কৃপণতার লক্ষণ।
  • নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লামের ওপর সালাত পাঠ করা সবসময়ের জন্য সবচেয়ে বড় নৈকট্য ও ইবাদত। এটি তাঁর নাম উল্লেখের সময় বেশী গুরুত্বপূর্ণ হয়।
  • নববী বলেন: যখন নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লামের ওপর সালাত পাঠ করবে, তখন সালাত ও সালাম উভয়কে একত্র করবে এবং একটির ওপর যথেষ্ট করবে না। অতএব শুধু (صلى الله عليه) বলবে না এবং (عليه السلام) বলবে না।
  • আবুল আলিয়া আল্লাহ তা‘আলার বাণী (إن الله وملائكته يصلون على النبي) -এর ব্যাপারে বলেছেন: আল্লাহ তা‘আলার নবীর ওপর তাঁর সালাত হল: তাঁর প্রশংসা করা এবং ফেরেশতা ও মানুষের কাছ থেকে সালাত হল: দোয়া করা।
  • হালীমী বলেছেন: «اللهم صلّ على محمد» এর অর্থ হল: হে আল্লাহ, দুনিয়াতে তাকে মহিমান্বিত করুন তার নামকে উঁচু করে, তার দ্বীনকে প্রকাশ করে এবং তার শরীয়তকে বাকি রেখে। আর পরকালে: তাঁর উম্মতের জন্য তাঁর সুপারিশ করার মাধ্যমে এবং তাকে মহান পুরষ্কার ও মহান সাওয়াব প্রদান করে এবং তাকে মাকামে মাহমুদ দান করে পূর্ববর্তী ও পরবর্তীদের মাঝে তার ফযীলত প্রকাশ করে এবং নৈকট্যপ্রাপ্ত উপস্থিত সবার ওপর তাকে অগ্রাধিকার দিয়ে তাকে মহিমান্বিত করুন।

HadeethEnc.com-এ পড়ুন

৪ একবার

অর্থ ও সূত্র

আবূ হুরাইরা রদিয়াল্লাহু ‘আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: “তার নাক ভূলুষ্ঠিত হোক যার কাছে আমার নাম উল্লেখিত হল, কিন্তু সে আমার উপর দরূদ পাঠ করেনি। ভূলুষ্ঠিত হোক তার নাক যার নিকট রমযান মাস এলো অথচ তার গুনাহ মাফ হয়ে যাওয়ার পূর্বেই তা পার হয়ে গেল। আর ভূলুষ্ঠিত হোক তার নাক যার নিকট তার বাবা-মা বৃদ্ধে উপনিত হলো, কিন্তু তারা তাকে জান্নাতে প্রবেশ করায়নি (সে তাদের সঙ্গে ভাল আচরণ করে জান্নাত অর্জন করেনি)”।

এটি তিরিমিযী ও আহমাদ বর্ণনা করেছেন। মান: সহীহ

ব্যাখ্যা

নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তিন ধরণের লোককে অপমান, লাঞ্ছনা এবং ক্ষতির কারণে ধুলোয় নাক ডুবে থাকার বদ দোয়া করেছেন: প্রথম শ্রেণী: যার সামনে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নাম উল্লেখ করা হল, কিন্তু সে তার উপর صلى الله عليه وسلم বা অনুরূপ কিছু বলে সালাত পাঠ করল না। দ্বিতীয়ত: যে ব্যক্তি রমজান মাস প্রত্যক্ষ করল এবং ইবাদতের ক্ষেত্রে তার অবহেলার জন্য ক্ষমা পাওয়ার আগেই মাসটি শেষ হয়ে গেল। তৃতীয়ত: এমন ব্যক্তি যে তার পিতামাতাকে বৃদ্ধ বয়সে পেল, কিন্তু তাদের হক ও অধিকার আদায়ে তার অবাধ্যতা ও ত্রুটির কারণে তারা তার জান্নাতে প্রবেশের কারণ হননি।

উপকারিতা

  • আস-সিন্দি বলেন: মূল কথা হলো, তাদের প্রত্যেকে এমন কিছু লাভ করেছে যদি সে অবহেলা না করত, তাহলে সে প্রচুর কল্যাণ অর্জন করত, যেহেতু সে ত্রুটি করেছে, তার থেকে তা ছুটে গেছে এবং সে ব্যর্থ ও ক্ষতিগ্রস্ত হল।
  • নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লামের নাম উচ্চারিত হলেই তাঁর উপর সালাত পাঠ করা।
  • রমজান মাসে ইবাদতের প্রতি অধ্যবসায় ও প্রচেষ্টা করার আহ্বান।
  • মানুষকে তাদের পিতামাতার প্রতি কর্তব্যপরায়ণ হতে এবং তাদের সম্মান করতে উৎসাহিত করা, বিশেষ করে যখন তারা বৃদ্ধ হয়।

HadeethEnc.com-এ পড়ুন

প্রশ্ন

এই পাতায় কী আছে?

নবীজি ﷺ-এর উপর দরুদ: প্রতিটি আরবিতে, এর অর্থ, উৎস হাদিস, মান ও ব্যাখ্যাসহ।

অনুবাদগুলো কোথা থেকে নেওয়া?

HadeethEnc.com থেকে, যা অনূদিত নববি হাদিস বিশ্বকোষ। প্রতিটি হাদিস তারা যেভাবে প্রকাশ করেছে ঠিক সেভাবেই, সূত্র ও মানসহ এবং মূলের লিংকসহ দেখানো হয়।

প্রতিদিন কি রিমাইন্ডার পেতে পারি?

হ্যাঁ। Android-এর জন্য বিনামূল্যের Qabas অ্যাপ প্রতিদিন আপনাকে সকাল ও সন্ধ্যার জিকির মনে করিয়ে দেয় এবং এতে একই কাউন্টার আছে।