দুশ্চিন্তা, উদ্বেগ ও দুঃখের দোয়া

বিপদে নবীজি ﷺ যে দোয়াগুলো করেছেন এবং দুশ্চিন্তা ও দুঃখের জন্য শিখিয়েছেন।

১ একবার

لَا إِلَهَ إِلَّا اللهُ الْعَظِيمُ الْحَلِيمُ، لَا إِلَهَ إِلَّا اللهُ رَبُّ الْعَرْشِ الْعَظِيمِ، لَا إِلَهَ إِلَّا اللهُ رَبُّ السَّمَاوَاتِ وَرَبُّ الْأَرْضِ وَرَبُّ الْعَرْشِ الْكَرِيمِ

অর্থ ও সূত্র

ইবনু ’আব্বাস রদিয়াল্লাহু ‘আনহুমা থেকে বর্ণিত, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বিপদের সময় বলতেন, «لَا إِلَهَ إِلَّا اللهُ الْعَظِيمُ الْحَلِيمُ، لَا إِلَهَ إِلَّا اللهُ رَبُّ الْعَرْشِ الْعَظِيمِ، لَا إِلَهَ إِلَّا اللهُ رَبُّ السَّمَاوَاتِ وَرَبُّ الْأَرْضِ وَرَبُّ الْعَرْشِ الْكَرِيمِ» “আল্লাহ ছাড়া কোনো সত্য ইলাহ নেই, যিনি মহান ও পরম সহিষ্ণু। আল্লাহ ব্যতীত কোনো সত্য ইলাহ নেই, তিনি মহা ‘আরশের রব। আল্লাহ ব্যতীত কোনো সত্য ইলাহ নেই, তিনি আসমানের রব, জমিনের রব এবং মর্যাদাবান ‘আরশের রব।”

সহীহ বুখারী ও মুসলিম মান: সহীহ

ব্যাখ্যা

নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন তীব্র দুঃখ ও কষ্টে থাকতেন, তখন বলতেন: «لا إله إلا الله» আল্লাহ ছাড়া কোন সত্য উপাস্য নেই, যিনি «العظيم» তাঁর সত্তায়, গুণাবলীতে এবং কর্মে মহান ও মহিমান্বিত, যিনি «الحليم» পাপীর জন্য শাস্তি ত্বরান্বিত করেন না বরং বিলম্বিত করেন এবং তিনি তাকে ক্ষমা করে দেন যদিও তাকে তিনি শাস্তি দিতে সক্ষম। কারণ তিনি সক্ষম, তিনি সকল কিছুর উপর মহিমান্বিত। «لا إله إلا الله رب العرش العظيم» মহান আরশের স্রষ্টা। «لا إله إلا الله رب السموات والأرض» আকাশমণ্ডলী ও পৃথিবীর স্রষ্টা এবং তার মধ্যে যা রয়েছে সবকিছুর স্রষ্টা, মালিক ও সংস্কারক এবং যিনি এটিকে যেমন ইচ্ছা তেমনভাবে পরিচালনা করেন। «رب العرش الكريم» মহিমান্বিত আরশের স্রষ্টা।

উপকারিতা

  • আমাদের উপর যখন বিপর্যয় ও কষ্ট আসে তখন দোয়ার মাধ্যমে আল্লাহর আশ্রয় প্রার্থনা করা ওয়াজিব।
  • বিপদের সময় এই দোয়াটি পাঠ করা মুস্তাহাব।
  • রহমানের আরশ, পরম মহিমান্বিত যার উপর উঠেছেন, এটি হল সকল সৃষ্টির মধ্যে সর্বোচ্চ, বৃহত্তম এবং সবচেয়ে মহিমান্বিত। নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম এটিকে মহান এবং সম্মানিত বলে বর্ণনা করেছেন।
  • তিনি আকাশ ও পৃথিবীর কথা বিশেষভাবে উল্লেখ করেছেন; কারণ তারা দৃশ্যমান সকল সৃষ্টির মধ্যে অন্যতম।
  • আত-তীবি বলেন: তিনি এই প্রশংসা শুরু করেছেন রব উল্লেখ করে, যাতে কষ্ট দূর করার সাথে নামটি উপযোগী হয়; কারণ এটি পরির্চযার দাবি। এতে আল্লাহর মহিমা ঘোষণার পাশাপাশি তাওহীদও অন্তর্ভুক্ত, যা মহিমান্বিত পবিত্রতার উৎস এবং যে মহত্ত্ব পূর্ণ শক্তি নির্দেশ করে। এটি সহনশীলতার প্রমাণ যা জ্ঞানের ইঙ্গিত দেয়, কারণ অজ্ঞদের ধৈর্যশীল বা উদার বলে কল্পনা করা যায় না এবং এই দু’টি উদারতা বিশেষণের উৎস।

HadeethEnc.com-এ পড়ুন

২ একবার

اللهم إني أعوذ بك من العَجْزِ، والكَسَلِ، وَالجُبْنِ، والهَرَمِ، والبخل، وأعوذ بك من عذاب القبر، وأعوذ بك من فتنة المحيا والممات

অর্থ ও সূত্র

আনাস ইবন মালিক রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলতেন, “হে আল্লাহ! নিশ্চয় আমি তোমার নিকট অক্ষমতা, অলসতা, ভীরুতা, স্থবিরতা ও কৃপণতা থেকে আশ্রয় প্রার্থনা করছি। আমি আশ্রয় প্রার্থনা করছি কবরের আযাব থেকে, আশ্রয় কামনা করছি জীবন ও মৃত্যুর ফিতনা থেকে (এবং ঋণের ভার ও মানুষের প্রতাপ থেকে)।” অন্য বর্ণনায় এসেছে, “আপনার নিকট আশ্রয় প্রার্থনা করছি ঋণের বোঝা ও লোকের প্রধান্য থেকে।

এটি বুখারী বর্ণনা করেছেন। - মুত্তাফাকুন ‘আলাইহি (বুখারী ও মুসলিম)। মান: সহীহ

ব্যাখ্যা

এ হাদীসটি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লামের জাওয়ামেউল কালিম তথা বাক্য সংক্ষেপন, অর্থ ব্যাপক- এর অন্তর্ভুক্ত। এতে নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম অতি অল্প কয়েকটি শব্দে পূর্ণাঙ্গ অর্থ প্রকাশ করেছেন। কেননা, নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম এ হাদীসে যাবতীয় বিপদাপদ ও অকল্যাণ থেকে আল্লাহর কাছে আশ্রয় চেয়েছেন, যেগুলো বান্দার চলাফেরা ও কর্মকাণ্ডে বাধা সৃষ্টি করে। তাই তিনি আল্লাহর কাছে অপারগতা ও অলসতা থেকে আশ্রয় চেয়েছেন। এ দোষ দুটি মানুষের স্বাভাবিক চলাফেরা ও কাজে-কর্মে বাধাপ্রদানকারী। যদি প্রাণবন্ততা ও সদিচ্ছার অভাবে অক্ষম হয় তবে তাকে কাসাল তথা অলসতা বলে। সুতরাং অলস হলো সবচেয়ে দুর্বল ও সর্বাপেক্ষা কম উদ্যেমী লোক। আর বান্দা কাজ করতে করতে শক্তির অভাবে অক্ষম হলে তাকে বলা হয় অপারগতা। তিনি আরো আশ্রয় চেয়েছেন “কাপুরুষতা ও কৃপণতা” থেকে। এ দোষ দুটি কর্তব্য পালন ও ইহসান করতে বাধাপ্রদানকারী। কাপুরুষতা মানুষের অন্তরকে দুর্বল করে দেয়। ফলে সে তার দুর্বল হৃদয় ও মানুষের রবের সাথে সম্পর্ক না করে মানুষের সাথে সম্পর্ক করায় সে সৎকাজের আদেশ ও অসৎকাজের নিষেধ করতে পারে না।

কৃপণতা ব্যক্তিকে ভালো কাজে ব্যয় করা থেকে বিরত রাখে। ফলে সে সৃষ্টিকর্তার হক যাকাত প্রদান করে না। আবার সে সৃষ্টিজগতের জন্যও সম্পদ ব্যয় করে তাদের হক আদায় করে না। সে মানুষের কাছেও ঘৃণিত এবং আল্লাহর কাছেও ঘৃণিত।

“চরম বার্ধক্যতা” হলো ব্যক্তির জীবনের অতিবৃদ্ধ বয়স। ব্যক্তি যখন বয়োবৃদ্ধ বয়সে পৌঁছে তখন সে তার অনেক অনুভূতি ও শক্তি-সামার্থ হারিয়ে ফেলে।ফলে সে না পারে আল্লাহর ইবাদত করতে, না পারে পরিবারের জন্য কল্যাণকর কিছু করতে।

অতপর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম আশ্রয় চেয়েছেন কবরের আযাব থেকে। কবরের আযাব সত্য। এ কারণেই নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম প্রতি সালাতের পরে কবরের আযাব থেকে আল্লাহর কাছে আশ্রয় প্রার্থনা করা শরী‘আতবদ্ধ করেছেন। অতপর তিনি জীবন ও মরণের ফিতনা থেকে আশ্রয় চেয়েছেন যাতে দুনিয়া ও আখিরাত উভয়টিই অন্তর্ভুক্ত হয়। জীবদ্দশায় ফিতনা হলো নানা বিপদাপদ ও পরীক্ষাসমূহ। আর মৃত্যুর পরের ফিতনা হলো নিজের খারাপ পরিণতির (ঈমানহারা হয়ে মৃত্যু ও জাহান্নামী হওয়া) আশঙ্কা, নিকৃষ্ট পরিণাম ও কবরে দুই ফিরিশতার প্রশ্নোত্তরে ভয়াবহতা। অন্য বর্ণনায় এসেছে, “আপনার নিকট আশ্রয় প্রার্থনা করছি ঋণের বোঝা ও লোকের প্রধান্য থেকে।” দুটি দোষই জোরপূর্বক নিপীড়নের অন্তর্ভুক্ত। ঋণের বোঝা ও এর কষ্ট বহনের কেউ সাহায্যকারী থাকে না। এটি ব্যক্তির ওপর অন্যের চাপ সৃষ্টি করা, তবে তা অধিকার আদায়ের জন্য। আর লোকের প্রধান্য হলো অন্যায়ভাবে ব্যক্তির ওপর জোর প্রয়োগ করা।

HadeethEnc.com-এ পড়ুন

৩ একবার

اللَّهُمَّ إِنِّي أَعُوذُ بِكَ مِنْ غَلَبَةِ الدَّيْنِ، وَغَلَبَةِ الْعَدُوِّ، وَشَمَاتَةِ الْأَعْدَاءِ

অর্থ ও সূত্র

আব্দুল্লাহ ইবনু আমর ইবনুল আস রাদিয়াল্লাহু আনহুমা হতে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম এই বাক্যগুলো দ্বারা দোয়া করতেন: "হে আল্লাহ, আমি ঋণের বোঝা, শত্রুর জয়ী হওয়া এবং শত্রুদের উল্লাস থেকে আপনার আশ্রয় প্রার্থনা করছি।"

এটি নাসাঈ ও আহমাদ বর্ণনা করেছেন। মান: সহীহ

ব্যাখ্যা

নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম কয়েকটি বিষয় থেকে পানাহ চেয়েছেন:

প্রথম: (হে আল্লাহ! আমি তোমার কাছে অন্য কারো কাছে নয় (ঋণের বোঝা) এবং তার চিন্তা, চাপ ও মুসিবত থেকে আশ্রয় ও নিরাপত্তা চাচ্ছি এবং তা পূর্ণ ও শোধ করতে তোমার সাহায্য প্রার্থনা করি।

দ্বিতীয়টি: (এবং শত্রুর বিজয়), তার অত্যাচার ও আধিপত্য এবং আমি তোমার কাছে তার ক্ষতি রোধ ও তার উপর বিজয় অর্জন প্রার্থনা করছি।

তৃতীয়টি: (এবং শত্রুদের উল্লাস) এবং মুসলিমদের উপর যে দুর্দশা ও বিপর্যয় আসে তাতে তাদের আনন্দ।

উপকারিতা

  • যেসব জিনিস আল্লাহর আনুগত্য থেকে বিমুখ করে এবং উদ্বেগ নিয়ে আসে যেমন ঋণ প্রভৃতি থেকে আল্লাহর নিকট পানাহ চাইতে উত্সাহ প্রদান।
  • সাধারণ ঋণে দোষের কিছু নেই, তবে যার নিকট ঋণ শোধ করার উপায় নেই তাই হল পরাজিত করা ঋণ।
  • একজন ব্যক্তিকে অবশ্যই এমন জিনিসগুলি এড়িয়ে চলতে হবে যেগুলির জন্য সে উপহাসের পাত্র ও সমালোচিত হয়।
  • মুমিনদের প্রতি কাফেরদের শত্রুতা এবং বিপদ আপতিত হলে তাদের উল্লাস প্রকাশ করার বয়ান।
  • মানুষের কষ্টের উপর শত্রুদের উল্লাস প্রকাশ করা মানুষের কাছে খোদ কষ্ট থেকে কঠিনতর।

HadeethEnc.com-এ পড়ুন

৪ একবার

অর্থ ও সূত্র

আবূ হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে মারফু‘ হিসেবে বর্ণিত, “তোমরা আল্লাহর নিকট মুসিবতের কাঠিন্য, অনিষ্টের স্পর্শ, খারাপ তাকদীর ও শত্রুর উপহাস থেকে পানাহ চাও।” অপর বর্ণনায় (বর্ণনাকারী) সুফিয়ান বলেছেন: আমার সন্দেহ হচ্ছে, হয়তো আমি একটি কথা বাড়িয়ে বলেছি।

মুত্তাফাকুন ‘আলাইহি (বুখারী ও মুসলিম)। মান: সহীহ

ব্যাখ্যা

এই হাদীসটি জাওয়ামিউল কালিম। কারণ, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম চারটি বস্তু থেকে পানাহ চেয়েছেন। বান্দা যদি সেগুলো থেকে নিরাপদ থাকে, তার জন্যে দুনিয়া ও আখিরাত নিরাপদ হয়ে যায়। এটাই স্পষ্ট সফলতা ও বড় প্রাপ্তি। আর অল্প শব্দে অনেক অর্থ অন্তর্ভুক্তকারী বাক্যকে জাওয়ামিউল কালিম বলা হয়। আমরা দেখছি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম চারটি বস্তু হতে পানাহ চেয়েছেন, যেমন “মুসীবতের কাঠিন্য থেকে” অর্থাৎ মুসিবতের কাঠিন্য ও তাতে পিষ্ট হওয়া থেকে। এরূপ অবস্থা থেকে আল্লাহর নিকট পানাহ চাই। কারণ, মুসীবত যখন কঠিন আকার ধারণ করে, তখন আল্লাহর তাকদীরের ওপর নফস থেকে বিতৃষ্ণা ও অসন্তুষ্টি প্রকাশ পেতে পারে, তাহলেই তো বান্দা দুনিয়া ও আখিরাতে ক্ষতিগ্রস্ত হবে। “অনিষ্টের স্পর্শ থেকে” অর্থাৎ অনিষ্টের সাথে জড়িয়ে যাওয়া, এখানকার অনিষ্ট যদিও ব্যাপক, তবে সবার আগে তার ভেতর অন্তর্ভুক্ত হয় আখিরাতের অনিষ্ট। কারণ, তার অনিষ্টের পশ্চাতে স্বস্তি নেই, দুনিয়ার অনিষ্টের বিপরীত, কারণ এতে তুমি এক দিন খুশি হবে, অপর দিন দুঃখিত হবে এটাই স্বাভাবিক। “খারাপ তাকদীর” অর্থাৎ যা নির্ধারণ করা হয়েছে সেটা বান্দার ওপর অবশ্যই পতিত হবে, যদিও তার জন্যে সেটা সুখকর নয়। এটা যেমন দুনিয়াবী জিনিসকে অন্তর্ভুক্ত করে, যথা সম্পদ, সন্তান, সুস্থতা ও স্ত্রী, অনুরূপভাবে পরকালের বিষয় ও শেষ পরিণতিকেও শামিল করে। আর এখানে কাযা/তাকদীর দ্বারা উদ্দেশ্য মানুষ। কারণ, আল্লাহর নির্ধারণ ও ফয়সালা পুরোটাই কল্যাণকর। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, “আর খারাপের সম্পর্ক আপনার সাথে নেই।” “শত্রুর উপহাস” এটা একটা মানসিক স্বভাব যে, মানুষ তার শত্রুর অনিষ্ট দেখে খুশি হয়। আর মুসলিমদের প্রকৃত শত্রু হচ্ছে কাফিররা। কারণ, তারাই মুসলিমদের পারস্পরিক ঝগড়া, মারামারি ও অবনতি দেখে খুশি হয়। এই হাদীসের প্রথম উদ্দেশ্য দীনি শত্রু, তবে দ্বিতীয় পর্যায়ে দুনিয়ার শত্রুঅন্তর্ভুক্ত। তবে একজন দাঈর টার্গেট হবে উন্নত, সে প্রথম দীনি শত্রুকে উদ্দেশ্য করবে এবং দ্বিতীয় পর্যায়ে মুসলিম শত্রুকে টার্গেট করবে। আল্লাহর নিকট প্রার্থনা করি, তিনি মুসলিমদের অবস্থা সংশোধন করে দিন।

HadeethEnc.com-এ পড়ুন

৫ একবার

اللهم أنت عَضُدِي ونَصِيرِي، بِكَ أَحُول، وبِكَ أَصُول، وبك أقاتل

অর্থ ও সূত্র

আনাস ইবন মালিক রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু থেকে মারফূ‘ সনদে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন যুদ্ধ আরম্ভ করতেন তখন বলতেন, “হে আল্লাহ! আপনি আমার সহযোগী ও সাহায্যকারী, কেবল আপনার সাহায্যেই অবস্থার পরিবর্তন করি, কেবল আপনার সাহায্যেই আক্রমণ করি এবং কেবল আপনার সাহায্যেই যুদ্ধ করি।”

এটি তিরমিযী বর্ণনা করেছেন। - এটি আবূ দাঊদ বর্ণনা করেছেন। মান: সহীহ

ব্যাখ্যা

রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন যুদ্ধ আরম্ভ করার ইচ্ছা করতেন বা যুদ্ধ শুরু করতেন, তখন তিনি এ দো‘আগুলো পড়তেন যার অর্থ হে আল্লাহ! আপনি আমার সহযোগী ও সাহায্যকারী, কেবল আপনার সাহায্যেই এক অবস্থা থেকে অপর অবস্থায় নীত হই, কেবল আপনার সাহায্যেই আমি দীনের শত্রুদের উপর ঝাঁপিয়ে পড়ি ও আপনার সাহায্যেই আমি তাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করি।

HadeethEnc.com-এ পড়ুন

প্রশ্ন

এই পাতায় কী আছে?

দুশ্চিন্তা ও বিপদের দোয়া: প্রতিটি আরবিতে, এর অর্থ, উৎস হাদিস, মান ও ব্যাখ্যাসহ।

অনুবাদগুলো কোথা থেকে নেওয়া?

HadeethEnc.com থেকে, যা অনূদিত নববি হাদিস বিশ্বকোষ। প্রতিটি হাদিস তারা যেভাবে প্রকাশ করেছে ঠিক সেভাবেই, সূত্র ও মানসহ এবং মূলের লিংকসহ দেখানো হয়।

প্রতিদিন কি রিমাইন্ডার পেতে পারি?

হ্যাঁ। Android-এর জন্য বিনামূল্যের Qabas অ্যাপ প্রতিদিন আপনাকে সকাল ও সন্ধ্যার জিকির মনে করিয়ে দেয় এবং এতে একই কাউন্টার আছে।