5টির মধ্যে 5 নম্বর পাঠ
হজ্জ কী?
কুরআন থেকে
إِنَّ أَوَّلَ بَيۡتٖ وُضِعَ لِلنَّاسِ لَلَّذِي بِبَكَّةَ مُبَارَكٗا وَهُدٗى لِّلۡعَٰلَمِينَ ﴿٩٦﴾ فِيهِ ءَايَٰتُۢ بَيِّنَٰتٞ مَّقَامُ إِبۡرَٰهِيمَۖ وَمَن دَخَلَهُۥ كَانَ ءَامِنٗاۗ وَلِلَّهِ عَلَى ٱلنَّاسِ حِجُّ ٱلۡبَيۡتِ مَنِ ٱسۡتَطَاعَ إِلَيۡهِ سَبِيلٗاۚ وَمَن كَفَرَ فَإِنَّ ٱللَّهَ غَنِيٌّ عَنِ ٱلۡعَٰلَمِينَ ﴿٩٧﴾
নিশ্চয় মানব জাতির [১] জন্য সর্বপ্রথম যে ঘর প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল তা তো বাক্কায়, বরকতময় ও সৃষ্টিজগতের দিশারী হিসাবে । তাতে অনেক সুস্পষ্ট নিদর্শন আছে , যেমন মাকামে ইবরাহীম । আর যে কেউ সেখানে প্রবেশ করে সে নিরাপদ । আর মানুষের মধ্যে যার সেখানে যাওয়ার সামর্থ্য আছে, আল্লাহ্র উদ্দেশ্যে ঐ ঘরের হজ্ব করা তার জন্য অবশ্য কর্তব্য । আর যে কেউ কুফরী করল সে জেনে রাখুক, নিশ্চয় আল্লাহ সৃষ্টিজগতের মুখাপেক্ষী নন ।
وَأَذِّن فِي ٱلنَّاسِ بِٱلۡحَجِّ يَأۡتُوكَ رِجَالٗا وَعَلَىٰ كُلِّ ضَامِرٖ يَأۡتِينَ مِن كُلِّ فَجٍّ عَمِيقٖ ﴿٢٧﴾
আর মানুষের কাছে হজের ঘোষণা করে দিন , তারা আপনার কাছে আসবে পায়ে হেঁটে এবং সব ধরনের কৃশকায় উটের পিঠে করে, তারা আসবে দুর-দুরান্তের পথ অতিক্রম করে
সুন্নাহ থেকে
আবূ হুরাইরা রদিয়াল্লাহু ‘আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লামকে বলতে শুনেছি: “যে ব্যক্তি আল্লাহর উদ্দেশ্যে হজ্জ পালন করলো এবং অশালীন কথা-কর্ম ও গুনাহ থেকে বিরত রইল, সে এমনভাবে (নিষ্পাপ অবস্থায়) ফিরে যাবে, যেন তার মা তাকে ঐদিনে প্রসব করেছে।
ব্যাখ্যা
নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম এ হাদীসে বর্ণনা করেছেন , যে ব্যক্তি আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভের উদ্দেশ্যে হজ্জ করে এবং ‘রাফাছ’ (অশ্লীল কাজ) না করে, আর তা হলো: সহবাস করা, সহবাস উদ্দিপক কাজ যেমন: চুম্বন করা এবং সহবাসপূর্ব ঘনিষ্ট কার্যকলাপ। আবার কখনও কখনও ‘রাফাছ’ শব্দটি অশ্লীল কথাবার্তা অর্থেও ব্যবহৃত হয়। আর সে আল্লাহর অবাধ্যতা ও মন্দ কাজ পরিত্যাগপূর্বক পাপাচার থেকে দূরে থাকে। ফাসেকী কাজের মধ্যে রয়েছে: ইহরাম অবস্থায় নিষিদ্ধ কাজ করা। সে হজ্জ থেকে ক্ষমাপ্রাপ্ত হয়ে ফিরে যাবে, ঠিক যেমনভাবে বাচ্চা পাপ থেকে মুক্ত অবস্থায় জন্ম গ্রহণ করে।
যাত্রা সম্পন্ন
অসাধারণ!
ইসলামের পাঁচ স্তম্ভ
৬টি যাত্রার মধ্যে ১টি সম্পন্ন
পরের যাত্রা শুরু করুনমুসলিমরা কী বিশ্বাস করেন