وَلَقَدۡ ءَاتَيۡنَا مُوسَى ٱلۡكِتَٰبَ وَقَفَّيۡنَا مِنۢ بَعۡدِهِۦ بِٱلرُّسُلِۖ وَءَاتَيۡنَا عِيسَى ٱبۡنَ مَرۡيَمَ ٱلۡبَيِّنَٰتِ وَأَيَّدۡنَٰهُ بِرُوحِ ٱلۡقُدُسِۗ أَفَكُلَّمَا جَآءَكُمۡ رَسُولُۢ بِمَا لَا تَهۡوَىٰٓ أَنفُسُكُمُ ٱسۡتَكۡبَرۡتُمۡ فَفَرِيقٗا كَذَّبۡتُمۡ وَفَرِيقٗا تَقۡتُلُونَ ٨٧
অবশ্যই আমরা মূসাকে কিতাব দিয়েছি এবং তার পরে পর্যায়ক্রমে রাসূলগণকে পাঠিয়েছি এবং আমরা মারইয়াম-পূত্র ‘ঈসাকে স্পষ্ট প্রমাণ দিয়েছি ১ এবং ‘রুহুল কুদুস’ ২ দ্বারা তাকে শক্তিশালী করেছি। তবে কি যখনি কোনো রাসূল তোমাদের কাছে এমন কিছু এনেছে যা তোমাদের মনঃপুত নয় তখনি তোমরা অহংকার করেছ ? অতঃপর (নবীগণের) একদলের উপর মিথ্যারোপ করেছ এবং একদলকে করেছ হত্যা ?
টীকা
১ এ আয়াতে ‘স্পষ্ট প্রমাণ' কি তা ব্যাখ্যা করে বলা হয়নি। তবে অন্য জায়গায় সেটা বলা হয়েছে, যেমন, "আর তাকে বনী ইসরাঈলের জন্য রাসূলরুপে (তিনি বলবেন) নিশ্চয় আমি তোমাদের রবের পক্ষ থেকে তোমাদের নিকট নিদর্শন নিয়ে এসেছি যে, অবশ্যই আমি তোমাদের জন্য কাদামাটি দ্বারা একটি পাখি সদৃশ আকৃতি গঠন করব; তারপর তাতে আমি ফুঁ দেব; ফলে আল্লাহ্র হুকুমে সেটা পাখি হয়ে যাবে। আর আমি আল্লাহ্র হুকুমে জন্মান্ধ ও কুষ্ঠ ব্যাধিগ্রস্থকে নিরাময় করব এবং মৃতকে জীবিত করব। আর তোমরা তোমাদের ঘরে যা খাও এবং মজুদ কর তা আমি তোমাদেরকে জানিয়ে দেব। " [সূরা আলে ইমরান: ৪৯]
২ কুরআন-হাদীসের বিভিন্ন জায়গায় জিবরাঈল ‘আলাইহিস সালামকে ‘রূহুল কুদুস’ বলা হয়েছে। যেমন, সূরা আশ-শু'আরা: ১৯৩, সূরা মারইয়াম: ১৭।
তাফসীর
৮৭. আমি মূসাকে তাওরাত দিয়েছি এবং তার পরপরই তার পরবর্তী অনেক রাসূল পাঠিয়েছি। আর ঈসাকে তাঁর সত্যতা প্রমাণের জন্য সুস্পষ্ট নিদর্শন দিয়েছি। যেমন: মৃতকে জীবিত করা এবং কুষ্ঠ ও জন্মান্ধকে ভালো করে দেয়া। উপরন্তু তাকে জিব্রীল ফিরিশতা দিয়ে শক্তিশালী করেছি। হে বনী ইসরাঈল! যখনই তোমাদের নিকট আল্লাহর পক্ষ থেকে তোমাদের মনের বিপরীত কোন রাসূল আসে তখনই তোমরা সত্যকে অস্বীকার করো এবং আল্লাহর রাসূলদের চাইতে তোমরা নিজেদেরকে বড় মনে করো। তখন তোমরা তাদের কারো প্রতি মিথ্যারোপ করো। আবার কাউকে হত্যা করো।