সফরের দোয়া ও মুসাফিরের দোয়া

সফরে বের হওয়ার সময়, পথে এবং কোথাও যাত্রাবিরতির সময় কী বলতে হয়।

১ একবার

অর্থ ও সূত্র

জাবির রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমরা উপরে উঠলে বলতাম, আল্লাহু আকবর। আর নিচে নামলে বলতাম সুবহানাল্লাহ। ইবন উমার রাদিয়াল্লাহু আনহুমা থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লামের সেনাদল যখন ‘সানায়া’ এর উপর উঠতেন তখন তাঁরা সকলে তাকবীর দিতেন। আর তা হতে নামতেন তখন তাসবীহ পাঠ করতেন।

এটি বুখারী বর্ণনা করেছেন। - এটি আবূ দাঊদ বর্ণনা করেছেন। মান: উভয় বর্ণনাসহ সহীহ

ব্যাখ্যা

উপরে উঠার সময় তাকবীর বলার কারণ হলো, মানুষের কাছে উপরে উঠা ও সম্মান-মর্যাদায় উঁচু হওয়া পছন্দনীয় ব্যাপার। আর এতে রয়েছে অহংকারের অনুভূতি। তাই সে উপরে উঠার সময় নিজেকে বড় মনে করতে পারে। সুতরাং সে যখন আল্লাহু আকবর বলবে তখন নিজেকে ছোট ও তুচ্ছ মনে করবে। কেননা সমস্ত বড়ত্ব ও অহংকার একমাত্র মহান আল্লাহ তা‘আলার। তাই কেউ উপরে উঠলে আল্লাহর যিকিরের মাধ্যমে তাঁর বড়ত্ব ও মহত্ব প্রকাশ করবে। আর এতে প্রমাণিত হয় যে, তিনি সব কিছু থেকে বড় ও মহান। এ কারণে তাঁর শুকরিয়া আদায় করতে তাঁর তাকবীর বলা। ফলে আল্লাহ তাঁর অনুগ্রহে ব্যক্তির মর্যাদা বৃদ্ধি করে দেন। অন্যদিকে উপর থেকে নিচে নামার সময় তাসবীহ তথা সুবহানাল্লাহ বলতে হয়; কেননা নিম্নস্থান সংকীর্ণ ও বিপদের জায়গা। সুতরাং নিচে নামার সময় তাসবীহ বলা হয়; কেননা তাসবীহ হলো বিপদাপদ থেকে মুক্তির অন্যতম উপায়। যেমন ইউনূস আলাইহিস সালামের ঘটনা। তিনি যখন মাছের পেটে গভীর অন্ধকারে নিমজ্জিত ছিলেন তখন মহান আল্লাহর তাসবীহ পড়েছিলেন। ফলে আল্লাহ তাকে সে বিপদ থেকে রক্ষা করেছিলেন। তাছাড়া নিম্নগামীতা হলো অবনতি, নিচুতা ও হীনতা। তাই বান্দা যখন বলে সুবহানাল্লাহ অর্থাৎ আমি যাবতীয় নিচুতা ও হীনতা থেকে আল্লাহর পবিত্রতা বর্ণনা করছি। কেননা আল্লাহ সবকিছুর উর্ধ্বে, সর্বোচ্চ মর্যাদার অধিকারী। এমনিভাবে বিমানে উপরে উঠার সময় বলবে আল্লাহু আকবর এবং অবতরণ করার সময় বলবে সুবহানাল্লাহ। যেহেতেু মাটি থেকে উপরে উঠা নামা আর বায়ুতে উপরে উঠা নামার মধ্যে কোনো পার্থক্য নেই। আল্লাহই অধিক জ্ঞাত।

HadeethEnc.com-এ পড়ুন

২ একবার

অর্থ ও সূত্র

আবূ হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু থেকে বর্ণিত, এক ব্যক্তি বলল, ‘হে আল্লাহর রাসূল! আমি সফরে যাব ইচ্ছা করেছি, আমাকে উপদেশ দিন।’ তিনি বললেন, “তুমি আল্লাহর তাকওয়া অবলম্বন করো এবং প্রত্যেক উঁচু স্থানে ‘আল্লাহু আকবার’ পড়ো।” যখন লোকটা ফিরে যেতে লাগল, তখন তিনি বললেন, “হে আল্লাহ! তুমি তার পথের দূরত্ব গুটিয়ে দিয়ো এবং তার সফর সহজ করে দিয়ো।”

এটি ইবন মাজাহ বর্ণনা করেছেন। - এটি তিরমিযী বর্ণনা করেছেন। - এটি আহমাদ বর্ণনা করেছেন। মান: হাসান

ব্যাখ্যা

এক ব্যক্তি সফরে যাবার ইচ্ছা করল, তখন সে বলল, হে আল্লাহর রাসূল! আমাকে উপদেশ দিন।’ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে আল্লাহর তাকওয়া অবলম্বন ও প্রত্যেক উঁচু স্থানে ‘আল্লাহু আকবার’ তথা আল্লাহর তাকবীর বলার উপদেশ দিলেন। যখন লোকটি ফিরে যেতে লাগল, তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার জন্যে দো‘আ করলেন, যেন তার কর্ম সহজ করা হয়, তার যানবাহন সুন্দর করা হয়, যা দিয়ে সে আরামে গন্তব্যে পৌঁছবে এবং কষ্টদায়ক বস্তু দূর করে তার সফর যেন সহজ করা হয়।

HadeethEnc.com-এ পড়ুন

৩ ৩ বার

أَعُوذُ بِكَلِمَاتِ اللهِ التَّامَّاتِ مِنْ شَرِّ مَا خَلَقَ

অর্থ ও সূত্র

খাওলা বিনতে হাকীম আস-সুলামিয়্যাহ রাদিয়াল্লাহু ’আনহা হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছি: “যে ব্যক্তি কোন স্থানে নেমে এই দো’আ পড়বে, (أَعُوذُ بِكَلِمَاتِ اللهِ التَّامَّاتِ مِنْ شَرِّ مَا خَلَقَ) অর্থাৎ আল্লাহর পরিপূর্ণ কালেমাসমূহের অসীলায় তাঁর সৃষ্টির অনিষ্ট থেকে আমি আশ্রয় চাচ্ছি,তাহলে সে স্থান থেকে অন্যত্র রওনা হওয়া পর্যন্ত কোন জিনিস তার কোন ক্ষতি করতে পারবে না।”

ইমাম মুসলিম এটি বর্ণনা করেছেন মান: সহীহ

ব্যাখ্যা

এ হাদীসে নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর উম্মতকে আল্লাহর উপর দৃঢ়তার সাথে নির্ভর করতে ও উপকারী আশ্রয় গ্রহণ করতে নির্দেশনা দিয়েছেন, যেগুলোর মাধ্যমে মানুষ সফরে হোক বা নিজ গৃহে বা অন্য কোথাও অবস্থানকালে সেখানকার ক্ষতিকর জিনিস থেকে বেঁচে থাকতে পারে। এটি এভাবে যে, সে আল্লাহর পরিপূর্ণ এমন সব কালিমার উসীলয় যার ফযীলত, বরকত, উপকারিতা বিদ্যমান ও যাবতিয় দোষ এবং অসম্পূর্ণতা থেকে মুক্ত হওয়ার ফলে সেখানে অবস্থান করা পর‌্যন্ত সে সকল সৃষ্টির ক্ষতিকর ও কষ্টদায়ক জিনিস থেকে নিরাপদ থাকবে।

উপকারিতা

  • আল্লাহর কাছে আশ্রয় পার্থনা করা ইবাদত। আর আল্লাহর কাছে আশ্রয় প্রার্থনা হয় আল্লাহর তা‘আলার নিকট বা তাঁর নাম ও সিফাতসমূহের উসিলায়।
  • আল্লাহর কালাম দ্বারা আশ্রয় প্রার্থনা করা জায়েয। কেননা আল্লাহর কালাম তার সিফাতের অন্তর্ভুক্ত। পক্ষান্তরে কোন সৃষ্টিকুলের দ্বারা আশ্রয় প্রার্থনা করা জায়েয নেই; বরং তা শিরক।
  • এ হাদীসে উক্ত দু‘আর ফযীলত ও বরকত বর্ণিত হয়েছে।
  • আল্লাহর যিকিরের দ্বারা নিজেকে সুরক্ষিত করা বান্দাহর ক্ষতিকর জিনিস থেকে নিরাপত্তা লাভের কারণ।
  • আল্লাহ ব্যতীত অন্য কোন জিন, যাদুকর , দাজ্জাল ও অন্য কারো কাছে আশ্রয় প্রার্থনা করা বাতিল করা হয়েছে।
  • মুকীম বা সফরে কোথাও অবস্থানকালে এ দু‘আ পড়া শরী‘য়াহ কর্তৃক অনুমোদিত।

HadeethEnc.com-এ পড়ুন

৪ একবার

أَسْتَوْدِعُ الله دِينَكَ، وَأَمَانَتَكَ، وَخَوَاتِيمَ عَمَلِكَ

অর্থ ও সূত্র

আব্দুল্লাহ ইবনে উমার -রাদিয়াল্লাহু আনহুমা- সফরের ইচ্ছাকারী ব্যক্তিকে বলতেন, আমার নিকটবর্তী হও, তোমাকে ঠিক সেইভাবে বিদায় দেব, যেভাবে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদেরকে বিদায় দিতেন। সুতরাং তিনি বলতেন, ‘আস্তাউদিউল্লা-হা দীনাকা অআমা-নাতাকা অখাওয়াতীমা আমালিক।’ অর্থাৎ, তোমার দীন, তোমার সততা এবং তোমার কাজের পরিণাম আল্লাহকে সঁপে দিলাম। সাহাবী আব্দুল্লাহ ইবনে য়্যাযীদ খাতমী রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন কোন সেনাবাহিনীকে বিদায় জানাতেন, তখন এই দু‘আ বলতেন, অর্থাৎ, তোমাদের দীন, তোমাদের আমানত এবং তোমাদের কর্মসমূহের পরিণাম আল্লাহকে সঁপে দিলাম।

এটি ইবন মাজাহ বর্ণনা করেছেন। - এটি তিরমিযী বর্ণনা করেছেন। - এটি নাসাঈ বর্ণনা করেছেন। - এটি আবূ দাঊদ বর্ণনা করেছেন। - এটি আহমাদ বর্ণনা করেছেন। মান: সহীহ

ব্যাখ্যা

কোনো ব্যক্তি সফরের ইচ্ছা করলে আব্দুল্লাহ ইবনে উমার রাদিয়াল্লাহু আনহুমা বলতেন, আমার নিকটবর্তী হও, তোমাকে ঠিক সেইভাবে বিদায় দেব, যেভাবে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদেরকে বিদায় দিতেন। ইবন উমারের এ আমল সাহাবীগণের রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের আদর্শকে জরুরীভাবে গ্রহণ করার আগ্রহের নমুনা। আর তার বাণী: “যখন কোন ব্যক্তি বিদায় দিতেন” অর্থাৎ কোন মুসাফিরকে। “সে তার হাত ধরতো এবং তা ছাড়তো না”। এটি এসেছে কতক বর্ণনায়। অর্থাৎ সবোর্চ্চ বিনয়, সর্বাধিক মহব্বত ও অনুগ্রহ প্রকাশার্থে তিনি লোকটির হাত ছাড়তেন না।

সুতরাং সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বিদায়ী ব্যক্তিকে বলতেন, ‘আস্তাউদিউল্লা-হা দীনাকা অআমা-নাতাকা অখাওয়াতীমা আমালিক।’ অর্থাৎ, তোমার দীন, অর্থাৎ, তার থেকে তোমার দীনের হিফাযত কামনা করি।

“তোমার আমানত” অর্থাৎ তোমার আমানতের হিফাযত। এটি শামিল করে মানুষের ও আল্লাহর সকল হক ও বিধান।

ব্যক্তি সফরে অবশ্যই প্রয়োজনীয় কাজে ব্যস্ত হওয়া, কারো সাথে লেন-দেন করা ও মানুষের সাথে মু‘আশারা না করে পারে না, তাই তার আমানতের হিফাযত এবং খিয়ানত থেকে বিরত থাকার দো‘আ করেন। তারপর যখন সে তার পরিবারের নিকট ফিরে আসে দীন ও দুনিয়াতে যা কিছু তাকে কষ্ট দেয় তা থেকে সে নিরাপদ থাকবে।

সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াল্লামের একই আদর্শ যখন তিনি কোন জামা‘আতকে আল্লাহর রাস্তায় যুদ্ধের জন্য বিদায় জানাতেন। তখন তাদেরও এ দো‘আর দ্বারা বিদায় জানাতেন, যাতে তা তাদের সঠিক ও নির্ভুল সিদ্ধান্তে পৌঁছা, দুশমনদের ওপর বিজয়ী হওয়া এবং যুদ্ধের ময়দানে আল্লাহর ফরযসমূহের ওপর অধিক সংরক্ষণকারী হওয়া বিষয়ে আরও অধিক কার্যকর হয়।

HadeethEnc.com-এ পড়ুন

৫ একবার

زَوَّدَكَ الله التقوى

অর্থ ও সূত্র

আনাস ইবন মালিক রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, একটি লোক নবী সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট এসে নিবেদন জানাল, ‘হে আল্লাহর রসূল! আমি সফরে যাব, সুতরাং আমাকে পাথেয় দিন।’ তিনি উত্তরে এই দুআ দিলেন, ‘যাউওয়াদাকাল্লা-হুত্ তাকগুওয়া।’ অর্থাৎ, আল্লাহ তোমাকে তাকওয়ার পাথেয় দান করুন। লোকটি পুনরায় বলল, ‘আমাকে আরো পাথেয় দিন।’ তিনি দুআ দিয়ে বললেন, ‘অগাফারা যামবাকা।’ অর্থাৎ, আল্লাহ তোমার অপরাধ ক্ষমা করুন। লোকটি আবার নিবেদন করল, ‘আমাকে আরো দিন।’ তিনি পুনরায় দুআ দিয়ে বললেন, ‘অয়্যাস্সারা লাকাল খাইরা হাইসুমা কুন্ত্।’ অর্থাৎ, তুমি যেখানেই থাক, আল্লাহ যেন তোমার জন্য কল্যাণ সহজ ক’রে দেন।

এটি তিরমিযী বর্ণনা করেছেন। - এটি দারিমী বর্ণনা করেছেন মান: হাসান, গরীব

ব্যাখ্যা

আনাস ইবন মালিক রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু হতে বর্ণিত: এক লোক সফর করার ইচ্ছা করলে পাথেয় চেয়ে নবী সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট এসে অনুমতি চাইল, উত্তরে এমন দু‘আ করলেন, যাতে পাথেয়ের মতোই তার উপকার হয়। তার পাথেয় হবে আল্লাহর আদেশসমূহের বাস্তবায়ন এবং নিষেধসমূহ হতে ফিরে থাকা। লোকটি আরো বেশি কল্যাণ ও বরকতের দো‘আ লাভের আশায় আবারও পাথেয় চাইল। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার অন্তরকে খুশি করার জন্য তাকে এ বলে উত্তর দিলেন, আর তোমার গুনাহকে ক্ষমা করুক। লোকটি বেশি কল্যাণ ও বরকতের দো‘আ লাভের আশায় আবারও পাথেয় চাইল। তখন রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের জন্য একটি সুন্দর দো‘আ যেটি কল্যাণ ও কামিয়াবী উভয়কে একত্র করে তা দ্বারা শেষ করা ছাড়া কোন উপায় ছিল না। তাই সে যে কোন জায়গায় অবতরণ করবে এবং যে কোন সময়ে অবতরণ করবে যাতে উভয় জাহানের কল্যাণকে তার জন্য সহজ করা হয় সে দো‘আ করলেন।

HadeethEnc.com-এ পড়ুন

প্রশ্ন

এই পাতায় কী আছে?

সফরের দোয়া: প্রতিটি আরবিতে, এর অর্থ, উৎস হাদিস, মান ও ব্যাখ্যাসহ।

অনুবাদগুলো কোথা থেকে নেওয়া?

HadeethEnc.com থেকে, যা অনূদিত নববি হাদিস বিশ্বকোষ। প্রতিটি হাদিস তারা যেভাবে প্রকাশ করেছে ঠিক সেভাবেই, সূত্র ও মানসহ এবং মূলের লিংকসহ দেখানো হয়।

কাউন্টার কীভাবে কাজ করে?

কোনো জিকিরের নিচের কাউন্টারে ট্যাপ করুন, এটি শূন্য পর্যন্ত উল্টো গুনবে। এটি শুধু এই পাতাতেই আছে এবং কিছুই সংরক্ষণ করা হয় না।

প্রতিদিন কি রিমাইন্ডার পেতে পারি?

হ্যাঁ। Android-এর জন্য বিনামূল্যের Qabas অ্যাপ প্রতিদিন আপনাকে সকাল ও সন্ধ্যার জিকির মনে করিয়ে দেয় এবং এতে একই কাউন্টার আছে।