۞ لَّا خَيۡرَ فِي كَثِيرٖ مِّن نَّجۡوَىٰهُمۡ إِلَّا مَنۡ أَمَرَ بِصَدَقَةٍ أَوۡ مَعۡرُوفٍ أَوۡ إِصۡلَٰحِۭ بَيۡنَ ٱلنَّاسِۚ وَمَن يَفۡعَلۡ ذَٰلِكَ ٱبۡتِغَآءَ مَرۡضَاتِ ٱللَّهِ فَسَوۡفَ نُؤۡتِيهِ أَجۡرًا عَظِيمٗا ١١٤
তাদের অধিকাংশ গোপন পরামর্শে কোনো কল্যাণ নেই, তবে কল্যাণ আছে যে নির্দেশ দেয় সাদকাহ, সৎকাজ ও মানুষের মধ্যে শান্তি স্থাপনের ১; আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভের আশায় কেউ তা করলে তাকে অবশ্যই আমরা মহা পুরস্কার দেব।
টীকা
১ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, ঐ ব্যক্তি মিথ্যাবাদী নয় যে মানুষের মধ্যে ভালো কিছু ইশারা করে বা বলে শান্তি স্থাপন করে দেয়। [বুখারী ২৬৯২, মুসলিম ২৬০৫]
অন্য হাদীসে এসেছে, আবুদ্দারদা রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন, রাসূল সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, আমি কি তোমাদেরকে জানিয়ে দেব না এমন কাজ যা সিয়াম, সালাত ও সদকা থেকেও উত্তম? তারা বলল: অবশ্যই। রাসূল বললেন, মানুষের মধ্যে মীমাংসা করে দেয়া। কেননা মানুষের মধ্যে সম্পর্ক নষ্ট হওয়া গর্দান কাটার সমান। [তিরমিযী ২৫০৯]
তাফসীর
১১৪. মানুষের অধিকাংশ অধিকাংশ গোপন কথায় কোন লাভ ও ফায়েদা নেই। তবে ফায়েদা আছে কথাটি যদি হয় সদকা অথবা মানুষের বিবেকের সমর্থনকারী শরীয়ত আনিত কোন কল্যাণকর কাজ কিংবা দ্ব›দ্বপূর্ণ দু’ পক্ষের মাঝে কোন সমঝোতার আদেশ। যে ব্যক্তি আল্লাহর সন্তুষ্টির উদ্দেশ্যে এমন করবে আমি অচিরেই তাকে মহা প্রতিদান দেবো।