সূরা আল-আনকাবূত, আয়াত 32

29:32

قَالَ إِنَّ فِيهَا لُوطٗاۚ قَالُواْ نَحۡنُ أَعۡلَمُ بِمَن فِيهَاۖ لَنُنَجِّيَنَّهُۥ وَأَهۡلَهُۥٓ إِلَّا ٱمۡرَأَتَهُۥ كَانَتۡ مِنَ ٱلۡغَٰبِرِينَ ٣٢

ইবরাহীম বললেন, ‘এ জনপদে তো লূত রয়েছে।’ তারা বলল, ‘সেখানে কারা আছে, তা আমরা ভাল জানি, নিশ্চয় আমরা লূতকে ও তার পরিজনবর্গকে রক্ষা করব তার স্ত্রীকে ছাড়া ১; সে তো পিছনে অবস্থানকারীদের অন্তর্ভুক্ত।’

টীকা

১ এ মহিলা সম্পর্কে অন্যত্র বলা হয়েছে যে, লূতের এই স্ত্রী তার প্রতি বিশ্বস্ত ছিল না। এ জন্য তার ব্যাপারে এ ফায়সালা করা হয় যে, একজন নবীর স্ত্রী হওয়া সত্বেও তা তার কোনো কাজে লাগবে না। [যেমন, সূরা আত-তাহরীম ১০] যেহেতু আল্লাহ্‌র কাছে প্রত্যেক ব্যক্তির ব্যাপারে ফায়সালা হয় তার ঈমান ও চরিত্রের ভিত্তিতে, তাই নবীর স্ত্রী হওয়ায় তার কোনো লাভ হয়নি। তার পরিণাম তার স্বামীর অনুরূপ হয়নি বরং যে জাতির ধর্ম ও চরিত্র সে গ্রহণ করে রেখেছিল তার অনুরূপ হয়েছিল। সে তার কাওমের কুফরিকে সমর্থন করছিল এবং তাদের সীমালঙ্ঘনকে সহযোগিতা করে যাচ্ছিল। [দেখুন, ইবন কাসীর]

তাফসীর

৩২. ইব্রাহীম (আলাইহিস-সালাম) ফিরিশতাগণকে বললেন: নিশ্চয়ই আপনারা যে এলাকার অধিবাসীদেরকে ধ্বংস করতে চাচ্ছেন তাতে রয়েছেন লুত (আলাইহিস-সালাম)। অথচ তিনি যালিম নন। তখন ফিরিশতাগণ বললেন: আমরা জানি তাতে কে রয়েছে। নিশ্চয়ই আমরা তাঁকে ও তাঁর পরিবারবর্গকে অত্র এলাবাসীর উপর নাযিলকৃত ধ্বংস থেকে রক্ষা করবো। তবে তাঁর স্ত্রীকে নয়। কারণ, সে অবশিষ্ট ধ্বংসপ্রাপ্তদের মধ্যেই পরিগণিত। তাই আমরা তাকে ওদের সাথেই ধ্বংস করে দেবো।