خَلَقَ ٱلسَّمَٰوَٰتِ وَٱلۡأَرۡضَ بِٱلۡحَقِّۖ يُكَوِّرُ ٱلَّيۡلَ عَلَى ٱلنَّهَارِ وَيُكَوِّرُ ٱلنَّهَارَ عَلَى ٱلَّيۡلِۖ وَسَخَّرَ ٱلشَّمۡسَ وَٱلۡقَمَرَۖ كُلّٞ يَجۡرِي لِأَجَلٖ مُّسَمًّىۗ أَلَا هُوَ ٱلۡعَزِيزُ ٱلۡغَفَّٰرُ ٥
তিনি যথাযথভাবে আসমানসমূহ ও যমীন সৃষ্টি করেছেন। তিনি রাত দ্বারা দিনকে আচ্ছাদিত করেন এবং রাতকে আচ্ছাদিত করেন দিন দ্বারা ১। সূর্য ও চাঁদকে তিনি করেছেন নিয়মাধীন। প্ৰত্যেকেই পরিক্রমণ করে এক নির্দিষ্ট কাল পর্যন্ত। জেনে রাখে, তিনি পরাক্রমশালী, ক্ষমাশীল।
টীকা
১ تكوير অর্থ এক বস্তুকে অপর বস্তুর উপর রেখে তাকে আচ্ছাদিত করে দেয়া। কুরআন পাক দিবারাত্রির পরিবর্তনকে এখানে সাধারণের জন্য تكوير শব্দ দ্বারা ব্যক্ত করেছে। রাত্রি আগমন করলে যেন দিনের আলোর উপর পর্দা রেখে দেয়া হয় এবং দিনের আগমনে রাত্রির অন্ধকার যেন যবনিকার অন্তরালে চলে যায়। [তাবারী]
তাফসীর
৫. তিনি আসমান ও যমীনকে এক মহান উদ্দেশ্যে সৃষ্টি করেছেন। জালিমরা যেমন বলে যে, তা খেল-তামাশা এটি আদৗ সঠিক নয়। তিনি রাতকে দিনের মধ্যে প্রবিষ্ট করেন আর দিনকে প্রবিষ্ট করেন রাতের মধ্যে। ফলে একটি উপস্থিত হলে অপরটি বিদায় নেয়। তিনি সূর্য ও চন্দ্রকে অনুগত করেছেন। এ সব এক নির্ধারিত সময় তথা ইহকালের পরিসমাপ্তি পর্যন্ত চলতে থাকবে। জেনে রেখো, তিনি সেই মহা পরাক্রমশালী যিনি স্বীয় শত্রæদের থেকে প্রতিশোধ গ্রহণকারী। কেউ তাঁকে পরাভূত করতে পারে না। তিনি পাপ থেকে তাওবাকারী বান্দাদের জন্য মহা ক্ষমাশীল।